দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?

A G Bengali
কলকাতা (Kolkata) সহ দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে। উত্তর থেকে থেকে দক্ষিণ রাজ্যের বিভিন্ন দিন বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির (Rain)পূর্বাভাস জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস (Alipore weather department)। হাওয়া অফিস জানিয়েছে। আগামী বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হবে। উপকূলের জেলাগুলিতে কয়েক পশলা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে হালকা মাঝারি বৃষ্টি হবে।
সোমবার কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এদিন সকালে কলকাতায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৬৮ থেকে ৯১ শতাংশ। জলীয় বাষ্পের কারণে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে। তবে সোমবার থেকে বুধবার বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। কখনও পুরোপুরি মেঘলা আকাশ দেখা যাবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা সবথেকে বেশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতে। বুধবার পর্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য কোনও পরিবর্তন হবে না। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে।
আপাতত দু-তিন দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই উত্তরবঙ্গের কোনও জেলায়। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা। হালকা মাঝারি বৃষ্টি উত্তরবঙ্গের সব জেলাতে। তবে তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের।
 
উত্তর বঙ্গোসাগরের মাঝ বরাবর সুস্পষ্ট নিম্নচাপ ( Depression ) অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর । এই নিম্নচাপ ক্রমশ সরে যাবে উত্তর-পশ্চিম দিকে। সেই অভিমুখে অগ্রসর হয়ে সোমবারই তা গভীর নিম্নচাপে ( Deep Depression ) পরিণত হওয়ার কথা।  মৌসুমী অক্ষরেখার পশ্চিমাংশ ক্রমশ সরে এসেছে দক্ষিণবঙ্গে। মৌসুমী অক্ষরেখা অমৃতসর, পাতিয়ালা, গোরক্ষপুর, গয়া ,বাঁকুড়া, দিঘা ও সংলগ্ন নিম্নচাপের উপর দিয়ে পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্বদিকে এগিয়ে উত্তর আন্দামান সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এর ফলে উপকূল সংলগ্ন এলাকায় হাওয়ার গতিবেগ বাড়বে। মৎস্যজীবীদের বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

Find Out More:

Related Articles: